প্রবন্ধঃ বিভাস সাহা

 


দূরাগত ও দূরগামী শ্রমিকের কথা

দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছি কলকাতার ফ্লাইটের জন্যে। চার ঘন্টার অপেক্ষা। চোখে ঘুম থাকলেও ঘুম আসছে না। পাশের চেয়ারে আমারই কাছাকাছি বয়সের একজন, দেখতে ভারতীয় । জানলাম, তিনি করাচির ফ্লাইটের জন্যে অপেক্ষা করছেন, আসছেন রিয়াদ থেকে -- তাঁর ফ্লাইট ২৪ ঘন্টা বাদে। একটু সস্তার টিকিট কিনতে গিয়ে এই দুর্ভোগ। তবে তাঁর এক সহযাত্রী আছেন। দুজনে পালা করে ঘুমোচ্ছেন ও মালপত্র পাহারা দিচ্ছেন। যেহেতু হিন্দি এবং উর্দু বলতে বা শুনতে একই রকম, তাই কথাবার্তা চালাতে অসুবিধা হলো না। মনে হলো আরেক বাঙালির সাথে কথা বলছি।

 জানলাম, তিনি সিন্ধ প্রদেশের এক গ্রামে থাকেন, অভাবী মানুষ। চার ছেলে মেয়ে স্ত্রী, বৃদ্ধ বাবা মা ভাই বোন ইত্যাদি নিয়ে বেশ বড়োসড়ো যৌথ পরিবার। লেখাপড়া বিশেষ শেখেন নি। রাজমিস্ত্রির কাজ জানেন – তাই বিদেশে গিয়ে উদয়াস্ত পরিশ্রম করে বাড়িতে কিছু সঞ্চয় নিয়ে ফিরতে চান যাতে তাঁর ছেলেমেয়েরা ভালোভাবে থাকতে পারে। এই কাহিনি এতটাই সার্বজনীন যে মনে হলো আমি অনেকবার শুনেছি। প্রথমবার শুনি বোধহয় ১৯৮৭ সালে, লস এঞ্জেলেস থেকে কলকাতা আসার পথে টোকিও-র নারিতা বিমানবন্দরে এক বাংলাদেশী নাগরিকের কাছে। তাঁর বয়স কম ছিল, বিয়টিয়ে হয়নি (আমারো বয়স তখন কম)। তিনি দুবছরের চুক্তিতে জাপানে কাজ করতে গিয়েছিলেন। একই ভাষার মানুষ বলে তাঁর সাথে অনেক গল্প হলো।

 আরব দেশে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে প্রচুর ‘অদক্ষ’ শ্রমিক যান। ভারতে বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা (Remittance) যা ঢোকে, তার বৃহদংশ আসে এই অদক্ষ গরিব শ্রমিকদের কাছ থেকেই। ২০১৯-২০ সালে ভারতের ঘরে ঢুকেছে ৮৩ বিলিয়ন (মার্কিন) ডলার, অর্থাৎ ৮,৩০০ কোটি ডলার (টাকায় হিসেব করতে হলে ৭০ দিয়ে গুণ করুন)। এর ৪৪ শতাংশ – ভাবা যায়, অর্ধেকের কাছাকাছি ! -- আসে শুধু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি থেকে; সেখান আমাদের দেশ থেকে যাঁরা কাজ করতে যান, তাঁরা মূলত নিম্নবিত্ত মুসলিম পরিবারের মানুষ। আমাদের উচ্চশিক্ষিত শ্রমিকরা যান আমেরিকা বা ইউরোপে। আমেরিকা থেকে যে টাকা ঘরে আসে, তা মোট আগত টাকার ১৪ শতাংশ মাত্র। ভেবে দেখুন জাতীয় অর্থনীতির পক্ষে মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করতে যাওয়া অদক্ষ শ্রমিকদের গুরুত্ব কত বেশি।

 অথচ অদক্ষ শ্রমিকদের প্রতি ভারত সরকারের এবং বিমানবন্দর কর্মীদের দুর্ব্যবহার একটা দীর্ঘকালীন সমস্যা। ভারতের নিয়ম অনুযায়ী বিএ পাশ নাহলে বিদেশে কাজ করতে যেতে হলে অভিবাসনের অনুমতি নিতে হয়, অর্থাৎ তাদের Emigration Clearance সার্টিফিকেট নিতে হয়। এর ঝামেলা অনেক। একে ঘিরে ঘুষের একটি চক্রজাল চিরস্থায়ী হয়ে আছে। গরিব বিদেশগামীদের শোষণের আর একটা স্তর। যারা উচ্চশিক্ষিত, তাদেরকে এই সার্টিফিকেট নিতে হয় না। তাদের পাসপোর্টে লেখা থাকে Emigration Clearance Not Required (ECNR) । অদ্ভুত নিয়ম ! যে দেশ কোটি কোটি গরিবের খাওয়া পরার ব্যবস্থা করতে পারে না, সেই দেশ গরিবদের উপরেই রোজগারের সর্বাধিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে। বিপরীতে যেসব উচ্চশিক্ষিতরা বিদেশে গেলে দেশে ফেরার আশা কম, অর্থাৎ যাদের ব্রেন ড্রেন অনিবার্য, তাদের ক্ষেত্রেই সরকারি নিয়ম কানুন ভীষণ শিথিল। আরো জেনে রাখা ভালো, এই উচ্চশিক্ষিত অনাবাসী ভারতীয়রা তুলনায় টাকা পাঠায়ও কম, কারণ তারা তাদের স্ত্রী (বা স্বামী) ছেলে মেয়েকে সঙ্গে নিয়েই যায় (পাশ্চাত্যের দেশগুলির নীতিও মানবিক এ ব্যাপারে), আর অদক্ষ শ্রমিকদের ক্ষেত্রে তাদের পরিবারের সদস্য সঙ্গে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় – খরচের জন্যই হোক বা ভিসার কারণেই হোক। তাই বাড়িতে টাকা পাঠানোর তাগিদও তাদের প্রচুর।

 বিদেশ বিভুঁই-এ কঠোর পরিশ্রম করে লাভ হয় কতটা ? এ বিষয়ে গবেষণা সীমিত। কিন্তু এটা আমরা জানি এর প্রভাব শ্রমিকদের পরিবারের উপর সদর্থক – তা ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা বা পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য যাই দেখি না কেন। আন্তর্জাতিক শ্রমিক চলাচলের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের অনুপাত এখন প্রায় সমান সমান। বিশ্বায়নের ফলে নানা ধরনের চুক্তিনির্ভর অস্থায়ী শ্রমিকের যাতায়াত চলছে গোটা পৃথিবী জুড়ে।

 পঁচিশ বছর বয়সী ত্রিপুরার এক (বাঙালি মুসলমান) যুবকের সাথে আলাপ হয়েছিল আবু ধাবি বিমানবন্দরে। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, “আয় কেমন হয়? এতদূরে এসে পোষাচ্ছে?” সে বলল, “দাদা, তিন বছর আগে আসি এক বড়োসড়ো লন্ড্রীর দোকানে কাজ করতে। দুবছর বাদে ধারধোর করে নিজেই লন্ড্রী খুলে বসেছি, মন্দ চলছে না।“ জিজ্ঞাসা করি, “কীরকম?” সে বলল, “দেশে থাকতে ছয় সাতমাসে যা কামাতাম, তা এখানে একমাসেই কামাই, তবে খাওয়ার খরচও তো বেশি। খরচখরচা বাদ দিয়ে এক বছরে যা সঞ্চয় হয়, তা দেশে থাকলে তিন বছরেও পারতাম না।“ “তা, তুমি কি দেশে ফিরবে?” “এখনো ভাবিনি সেকথা। এখন বয়স কম, যতটা পারি টাকা জমিয়ে নিই।“ ছেলেটির পরিশ্রম করার ক্ষমতা ও উদ্যোগী মনোভাবকে মনে মনে স্যালুট না করে পারিনি।

অদক্ষ বিদেশী শ্রমিকদের ভিসা বাড়ানো বা দীর্ঘস্থায়ীভাবে থাকার অনুমতি দিয়ে নাগরিকত্বের সুযোগ দেওয়া কোন দেশেরই পছন্দ নয়। সুতরাং ফিরে আসা একটা সময় অনিবার্য। এমনই এক ফিরে আসা শ্রমিকের সাথে গল্প করছিলাম বর্ধমান লোকালে। তিনি বললেন, “দেখুন সৌদি আরব মুসলমানের দেশ হলেও, আমাদের পোষায় না। হাজার হোক আমরা ভারতীয়, আমরা খোলামেলাভাবে বড়ো হয়েছি। ওখানে বড্ড কড়াকড়ি।“ “কীরকম?” “এই দেখুন না, আমি একটু পান খেতে ভালোবাসি, জর্দা দিয়ে মিঠে পান। কিন্তু পান খাওয়াটাকে ওরা নেশা হিসেবে দেখে, আর জর্দা তো মাদক দ্রব্য। আমাকে একবার পুলিশ খুব ওয়ার্নিং দিল। তাও লুকিয়ে লুকিয়ে খেতাম, কিন্তু ধরা পড়লে খুব বিপদ হতো। টাকাপয়সা নিয়ে এসে এখানে ব্যবসা খুলে বসেছি। আপনাদের আশীর্বাদে চলে যাচ্ছে।“

 অর্থনীতির লোক হিসেবে ভাবি, সত্যিই যদি বিদেশ গিয়ে এত সহজে রোজগার করা যায়, তাহলে সবাই তাই করছে না কেন? সবাই সেটা করলে দারিদ্র তো মিটে যেত। দারি্দ্র যে কমে, তার বড়ো উদাহরণ কেরল রাজ্য। কেরল অধিবাসীরা নানা পেশায় ভারতে তো বটেই, ভারতের বাইরেও নানা দেশে ছড়িয়ে আছে। এদের পাঠানো টাকায় কেরালার গ্রামগুলি বেশ সম্পন্ন দেখতে হয়েছে। কিন্তু এটাও মনে রাখা দরকার, বিদেশে কাজ করতে যাওয়া একটা নিয়ন্ত্রিত ব্যাপার। নানা ধরনের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে নানা স্তরে দেশীয় প্রশাসন, কর্মসংস্থান এজেন্সি, বিদেশী সরকার ইত্যাদি ইত্যাদি। এই নিয়ন্ত্রণকর্তারা শ্রমিকের উদ্বৃত্ত থেকে খানিকটা অংশ নিয়ে নেয়। অনেককেই স্থানীয় মহাজনের কাছ থেকে টাকা ধার করে বিদেশ যাওয়ার খরচ যোগাড় করতে হয়। সেখানে সুদ হিসেবে অনেক টাকা বেরিয়ে যায়। তাছাড়া ফকির হয়ে ফিরে আসার দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাও ঘটে। অদক্ষ মহিলাদের ক্ষেত্রে এই বিপদ আরো বেশি, কারণ তারা মূলতঃ সেবাক্ষেত্রে কাজ করেন; অনেকে গৃহপরিচারিকা হিসেবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। তাই এইভাবে উপার্জনের ঝুঁকি খুব বেশি মানুষ নিতে পারে না।

 অবশ্য দেশের মধ্যে এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে যাওয়ার ব্যাপারে কোন বাধা নেই। কিন্তু ভালো আয়ের কাজ যোগাড় করা এবং ধারাবাহিকভাবে উপার্জন করা এক দীর্ঘ সংগ্রাম। এই সংগ্রাম সত্বেও আধুনিক ভারতবর্ষের নগর অর্থনীতিকে সচল রেখেছে এই দূরাগত শ্রমিকেরা, সংবাদপত্রের ভাষায় যারা এখন ‘পরিযায়ী’ শ্রমিক। পরিযায়ী কথাটি অসম্মানকর ও অযৌক্তিক। সে অর্থে উচ্চ শিক্ষিত ভিন রাজ্যের অধ্যাপক, কর্মচারী, ব্যবসায়ীরাও পরিযায়ী। শুধু তফাৎ হচ্ছে চার ঘন্টার নোটিসে লকডাউন করলে তাদের কর্মহীন বা বাসস্থান থেকে উৎখাত হতে হয় না। কিন্তু জীবিকার সন্ধানে বহুদূরে যাওয়ার অর্থনীতি সর্বত্রই এক এবং গুণগতভাবে সকলের ক্ষেত্রেই অভিন্ন। যাঁরা পরিশ্রমী, যাঁরা ঝুঁকি নিতে পারেন, যাঁরা আরো উন্নতি চান, অথবা যাঁদের আর কোন উপায় থাকে না, তাঁরাই দূরগামী হয়ে ওঠেন। 

চীন দেশের গত তিরিশ বছরের অভূতপূর্ব  অর্থনৈতিক উন্নতির পিছনে শ্রমিকদের সুসংবদ্ধ দেশব্যাপী চলাচল একটা বড়ো ভূমিকা নিয়েছে। একদা চীনের শ্রমিকরা, এমনকি কলেজ পাশ ছেলেমেয়েরাও, নিজের ইচ্ছামত দূরে গিয়ে কাজ করতে পারতো না। নব্বই-এর দশকের গোড়ায় এই ব্যবস্থার সংস্কার করা হয়। এখনো ‘হুকো’ (Hukou) নামে একটি পুরাতন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা আছে, যেটা আমাদের দেশের রেশন কার্ড ও ভোটার কার্ডের সম্মিলিত একটা ব্যবস্থার মতো। স্থানীয় ‘হুকো’ না থাকলে ভালো সরকারি স্কুলে ছেলেমেয়েদের ভর্তি করার অসুবিধা হয়, এবং স্থানীয় সরকারের দেওয়া অনেক সুযোগ সুবিধা থেকে মানুষ বঞ্চিত হয়। তবুও দূরাগত শ্রমিকদের যে প্রধান সমস্যা -- বাসস্থান – তা সমাধানের দায়িত্ব তাদের নিয়োগকারী সংস্থার, অথবা স্থানীয় প্রশাসনের। এর ফলে বস্তি সমস্যা নেই। করোনা মোকাবিলার পরিকল্পনাও সুষ্ঠুভাবে করা যায়।

 অন্যদিকে ভারতে সুষ্ঠু পরিকল্পনার কোন বালাই নেই, বরং লক্ষ লক্ষ মানুষকে অগাধ জলে ফেলে দেওয়া হলো। চার ঘণ্টার নোটিশে লকডাউন। মানুষ কাজ হারালো, গৃহচ্যুত হলো। খাবার নেই, তাদের নিজ গ্রামে ফেরার কোন উপায় নেই। দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা। মধ্যবিত্তরা তালি, উলু দিয়ে এবং থালা বাজিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বন্দনা করলো। আর পরিত্যক্ত ‘পরিযায়ী’ শ্রমিকেরা তাঁদের গ্রামের নিরাপত্তার কাছে ফেরার জন্য পাঁচশ হাজার মাইল হাঁটা দিলেন। কত মানুষের একটু ভালো থাকার স্বপ্ন চুরমার হয়ে গেল। তেলেঙ্গানা থেকে টানা তিনদিন হেঁটে ছত্তিশগড়ে বাড়ির কাছে পৌঁছে মারা গেল বারো বছরের মেয়ে জামলো মাদকামি। মুম্বাইয়ের অটোরিক্সা ড্রাইভার রাজন যাদব তার ফুটফুটে মেয়ে আর স্ত্রীকে অটোরিক্সায় নিয়ে রওনা দেয় উত্তর প্রদেশ ফিরবে বলে। ১১০০ কিলোমিটিরের লম্বা জার্নি, কিন্তু ৯০০ কিলোমিটার বাদে ট্রাকের ধাক্কায় তার অটোরিক্সা চুরমার হয়ে গেল। তার মেয়ে ও স্ত্রীর বাঁচার কোন সুযোগই ছিল না। ঠিক একই ভাবে অতর্কিত মৃত্যুর শিকার হলো ষোল জন শ্রমিক ট্রেন লাইনের উপর।

 যদি বলা হয়, যেমন অনেকে বলেছেন, লকডাউন পরিকল্পনায় কিছু ভুল ত্রুটি ছিল, তাহলে এটাও বলতে হয়, যাঁরা দেশ চালাচ্ছেন, তাঁদের মুদির দোকান চালানোরও যোগ্যতা নেই। তা নিশ্চয় নয়। তাঁরা বিচক্ষণ ব্যক্তি। সুতরাং ধরতে হবে, তাঁরা পরিষ্কার বুঝেছিলেন কয়েকশ পরিযায়ী শ্রমিক মারা গেলে কিছু যায় আসে না, বরং কোটি কোটি মধ্যবিত্তের রক্ষাকর্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার এমন সুবর্ণ সুযোগ ছাড়া উচিত নয়। ভারতবর্ষের পরিযায়ী শ্রমিক পরিত্যক্তও বটে। ঘর ছাড়া এবং ঘরে ফেরা দুটোই পাহাড় অতিক্রম করার সমান।

 দুবাই বিমানবন্দরে পাকিস্তানী অপেক্ষমান সহযাত্রী আমায় জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “আপনি যেখানে থাকেন, সেখানে আপনার সঙ্গে আপনার পরিবার থাকে কি?” আমি বলেছিলাম, “হ্যাঁ।“তিনি বললেন, “আপনি সৌভাগ্যবান। আমি আমার পরিবারের কাউকে তিন বছর দেখিনি।“ আমি বললাম, “আর একটা দিন। "ঘরে ফেরার আনন্দে তাঁর মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল, “হ্যাঁ, আর একটা দিন।"

ছবিঃ অনুষ্টুপ লাই

18 comments:

  1. অসাধারণ একটি লেখা। এই অর্থনীতি আমাদের গ্রামবাংলাকে উজ্জীবিত করেছে। গ্রামের নিজস্ব পেশা আজ লুপ্তপ্রায়, পরিবর্তে অন্য রাজ্য বা অন্য দেশে গিয়ে নতুন নতুন পেশায় তারা যোগ দিচ্ছে। পরিপুষ্ট হচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি। লকডাউনের আগে এই মানুষগুলোর কথা আমরা কেউ ভাবিনি।
    যাই হোক, লেখাটি মন ছুঁয়ে গেলো। লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ।

    ReplyDelete
  2. Very nice presentation. Thank you Bibhas.

    ReplyDelete
  3. "সুতরাং ধরতে হবে, তাঁরা পরিষ্কার বুঝেছিলেন কয়েকশ পরিযায়ী শ্রমিক মারা গেলে কিছু যায় আসে না!"- এটিই সত‍্য। খুব ভালো লেখা।

    ReplyDelete
  4. খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি লেখা।

    ReplyDelete
  5. অসাধারণ পর্যালোচনা বিভাস। ঠিকই ধরেছো যে গরিব এবং তথাকথিত অদক্ষ মানুষ জনের চলা ফেরা বা বাক স্বাধীনতাr পরিধি অনেক কম তথাকথিত শিক্ষিত সমাজের তুলনায়. যদিও সামগ্রিক ভাবে ওনাদের অবদান অর্থনীতিতে অনেক বেশি. ( যেটা তুমি তথ্য প্রমান দিয়েছো.) একটা বাক্যের ই প্রয়োগ মানতে অসুবিধে হচ্ছে. লিখেছো ''যাঁরা দেশ চালাচ্ছেন, তাঁদের মুদির দোকান চালানোরও যোগ্যতা নেই।'' মুদির দোকান চালানোকে ছোট করে দেখো না. ভাগ্যিস, মোদী মুদিতে নেই. সবার অনাহারে প্রাণ যেত.

    ReplyDelete
  6. Sir
    Apnar lekha mon chhuye gelo. Kintu er permanent solution ki amader moto Populus country-te? Where politics is prioritized rather than development!

    ReplyDelete
    Replies
    1. Solution is to give equal opportunity to all, and if anything the help the poor and the uneducated more. Population is not the main problem.

      Delete
  7. অনেক নতুন কিছু জানলাম। বিশেষ করে অবহেলিত গরিব মানুষ দের দেশের প্রতি আর্থিক contribution..... গরিব মানুষ দের বোকা বানানো খুব সহজ তাই কোনো সরকারই ওদের নিয়ে ভাবেনা।

    ReplyDelete
  8. অনেক নতুন কিছু জানলাম। বিশেষ করে অবহেলিত গরিব মানুষ দের দেশের প্রতি আর্থিক contribution..... গরিব মানুষ দের বোকা বানানো খুব সহজ তাই কোনো সরকারই ওদের নিয়ে ভাবেনা।

    ReplyDelete
  9. Anindita Chakrabarti23 October 2020 at 03:09

    Thank you Bibhashda--lekhata porte besh bhalo laaglo--golper chole ekta bhishon gurutopurno bishoye ki darun bhabe tule dhorle

    ReplyDelete
    Replies
    1. Hayn, bhalo theko tomra. Khub bhalo laglo tumi porecho jene.

      Delete

  একটি   লড়াকু   পত্রিকা সম্পাদকমণ্ডলীঃ   অভিজিৎ   ঘোষ ,  অনির্বাণ সরকার ,  এয়োনিয়ান   অনির্বাণ ,  সুমিত পতি ,  মনোহর   হোসেন   মণ্ডল সহযোগি...