কবিতাঃ সুমিত পতি

 ১১সংখ্যক

আশ্বিনের আলো মেখে তীব্রতর ভালোবাসা জাগে রসিকার
উৎসব অঙ্গে রসিকা আমার চপলা কিশোরী, অচেনা
শরৎ মেঘের উতলা আনাগোনা বহু প্রতীক্ষিত যৌবন দ্বারে
থর থর ওষ্ঠে বয়ে যায় মেদুর বাতাস, অসময়ে বৃষ্টি নামে।
#
বাড়ন্ত ভাতের থালা, খিদেয় খিদেয় উৎসব উবে গেছে
'রাই' - আমার শুশনি শাকের মতো এলোমেলো ছবি
ঘরের বৃত্ত ছেড়ে ক্রমশ সরে যায় আকাশের নীলে।
#
রসিকা আমার; তোর জন্য রইল রাঁধা বাড়া, মধ্যবিত্ত হেঁসেল
যৌবন সুবাসে মৃদুমন্দ অভিমান,  হাঁড়িতে ফুটছে ভাত।

১২ সংখ্যক
আবহমানের সুর বুকে বেঁধে ঘুঁটে কুড়ায় রসিকা আমার
ঘঁটে পুড়তে পুড়তে পাক হয় দুপুরের সরল আহ্লাদ
পাক খায় যৌবন তরঙ্গ, শরীরের তাপ মাপে মেঠো- ইঁদুর
আহা! আমিও ইঁদুর হব রাই, সূক্ষ্ম, তীক্ষ্ণ ধারালো নজর
#
শরতের ধানশীষ তুই, অবাক করা সবুজে সবুজ
হেমন্তের ঝরাপাতার গানে রাই বিনোদিনী বিশল্যকরণী
দারিদ্র্য রূপ গন্ধমাদন কেবলই ঘুঁটে পোড়ার শব্দ শোনে
রাই এর চোখ অতল স্পর্শ; অসমাপ্ত ইঙ্গিত বাজে....।
#
শালুক ডাঁটার ভেতর লুকিয়ে থাকা জলে রসিকার কান্না বাজে
রসিকারে, তোকে ঘর দিব, পা ছড়ানো উঠোন সঙ্গে লক্ষীমন্ত মা।


No comments:

Post a Comment

  একটি   লড়াকু   পত্রিকা সম্পাদকমণ্ডলীঃ   অভিজিৎ   ঘোষ ,  অনির্বাণ সরকার ,  এয়োনিয়ান   অনির্বাণ ,  সুমিত পতি ,  মনোহর   হোসেন   মণ্ডল সহযোগি...